সুস্থ
ও
সুন্দর
নখ
কে
না
চায়। কিন্তু
অনেকেরই জানা
নেই,
নখের
সৌন্দর্য নির্ভর
করে
অনেকাংশে পুষ্টিকর খাবারের ওপর। তবে
এক্ষেত্রে বিশেষ
কয়েকটি
খাবারের ওপর
মনোযোগ
দেওয়া
প্রয়োজন। এ লেখায়
থাকছে
তেমন
কয়েকটি
খাবারের হদিস।১. কলিজা
বিভিন্ন প্রাণীর কলিজায় রয়েছে প্রচুর আয়রন। নখের বিভিন্ন সমস্যার জন্য অনেকাংশে আয়রনের স্বল্পতা দায়ী। আর সবজি থেকে এ আয়রন পর্যাপ্ত পাওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে কলিজা হতে পারে ভালো একটি উৎস।
২. মাছ
কিছু মাছে রয়েছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড এবং পর্যাপ্ত প্রোটিন ও সালফার। 'ওমেগা ৩' নখ ময়েশ্চারাইজ করে এবং নখ মসৃণ ও আকর্ষণীয় করে। মাছের ফসফরাস ও সালফার নখ পুরু করে এবং এতে নখ মজবুতও হয়। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত মাছ রাখলে তা আকর্ষণীয় নখ বানাতে সহায়তা করবে।
৩. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
নখ ভালো করার জন্য পুষ্টিকর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার কার্যকর। দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, বায়োটিন ও প্রোটিন, যা সুস্থ নখের জন্য প্রয়োজনীয়। পর্যাপ্ত বায়োটিন ও ক্যালসিয়াম গ্রহণে নখ মজবুত হয় এবং এর ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দূর হয়।
৪. ডিমের সাদা অংশ
ডিমের সাদা অংশে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। এটি নখের জন্য প্রয়োজনীয় কেরাটিন তৈরি করে এবং নখকে পুরু ও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ডিমের সাদা অংশে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন, যা নখের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে নখের উপকারে লাগাতে হলে ডিম রান্না করে খেতে হবে। কারণ কাঁচা ডিমের বায়োটিন দেহ গ্রহণ করতে পারে না।
৫. মিষ্টি কুমড়ার বীজ, তিল ও যব
জিংক সাধারণত বহুল প্রচলিত খাবারগুলোতে পাওয়া যায় না। এদিকে নখের জন্য প্রয়োজন জিংকসমৃদ্ধ খাবার। এ কারণে মিষ্টি কুমড়ার বীজ, তিল ও যব খাওয়া যেতে পারে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভেজে খাওয়া যায়।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস -
নখ ভালো করার জন্য পুষ্টিকর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার কার্যকর। দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, বায়োটিন ও প্রোটিন, যা সুস্থ নখের জন্য প্রয়োজনীয়। পর্যাপ্ত বায়োটিন ও ক্যালসিয়াম গ্রহণে নখ মজবুত হয় এবং এর ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দূর হয়।
৪. ডিমের সাদা অংশ
ডিমের সাদা অংশে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। এটি নখের জন্য প্রয়োজনীয় কেরাটিন তৈরি করে এবং নখকে পুরু ও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ডিমের সাদা অংশে রয়েছে প্রচুর বায়োটিন, যা নখের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে নখের উপকারে লাগাতে হলে ডিম রান্না করে খেতে হবে। কারণ কাঁচা ডিমের বায়োটিন দেহ গ্রহণ করতে পারে না।
৫. মিষ্টি কুমড়ার বীজ, তিল ও যব
জিংক সাধারণত বহুল প্রচলিত খাবারগুলোতে পাওয়া যায় না। এদিকে নখের জন্য প্রয়োজন জিংকসমৃদ্ধ খাবার। এ কারণে মিষ্টি কুমড়ার বীজ, তিল ও যব খাওয়া যেতে পারে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ ভেজে খাওয়া যায়।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস -

